Friday, April 4, 2025

ব্যাখ্যাসহ সমাধানবাংলাদেশ বিষয়াবলি ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (১৯ মে, ২০২৩)

ব্যাখ্যাসহ সমাধানবাংলাদেশ বিষয়াবলি ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (১৯ মে, ২০২৩)

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

১. ‘ভারত ছাড়’ আন্দোলন শুরু হয়-
(ক) ১৯১৭ সালে
(খ) ১৯২৭ সালে
(গ) ১৯৩৭ সালে
(ঘ) ১৯৪২ সালে
উত্তর:গ
ব্যাখ্যা: ১৯৪২ সালের ভারত ছাড় আন্দোলন (Quit India Movement, 1942) ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে শ্বেতাঙ্গ বিরোধী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ প্রথম স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপক আন্দোলন। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির অধিবেশনে বিখ্যাত ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রস্তাব পাস হয় এবং পরপরই যতদূর সম্ভব ব্যাপকভাবে অহিংস পথে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।
জেনে রাখা ভালো: গুরুত্ব ও বিস্তৃতির দিক থেকে ভারত ছাড় আন্দোলনকে লর্ড লিনলিথগোর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১৮৫৭ সালের ভারতীয় মহাবিদ্রোহের সাথে তুলনা করা যায়। লর্ড লিনলিখগো ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন প্রদান করেন ১৯৩৭ সালে এবং উপমহাদেশে ক্রিপস মিশন (১৯৪২) প্রেরণ করেন। তিনি ১৯৪২ সালে ২য় বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয়দের সমর্থন আদায়ের জন্য আগস্ট প্রস্তাব করেছিলেন।
অন্যদিকে মহাত্মা গান্ধী ছিলেন অহিংস, অসহযোগ আন্দোলনের জনক। গান্ধী শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকায় এবং পরবর্তীতে ভারতবর্ষে সত্যাগ্রহ আন্দোলন পরিচালনা করেছিলেন।
২. ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি’ গঠিত হয়
(ক) ১৯৪৮ সালে
(খ) ১৯৫০ সালে
(গ) ১৯৫২ সালে
(ঘ) ১৯৫৪ সালে
উত্তর:গ
ব্যাখ্যা: ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি (মতান্তরে- ৩০ জানুয়ারি) ঢাকা বার লাইব্রেরিতে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় কাজী গোলাম মাহবুব আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্যবিশিষ্ট (মতান্তরে- ২৮ সদস্য) ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ/কমিটি’ গঠিত হয়।
৩. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে?
(ক) রাষ্ট্রপতি
(খ) স্পীকার
(গ) চীফ হুইপ
(ঘ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর:ক
ব্যাখ্যা: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন এবং সংসদ আহ্বানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম অধিবেশনের স্থান ও সময় নির্ধারণ করবেন এবং ২ অধিবেশনের ব্যবধান ৬০ দিনের বেশি হবে না; সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হবার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে। প্রথম বৈঠকের পর ৫ বছর অতিবাহিত হলে সংসদ ভেঙে যাবে।
অপশন বিশ্লেষণ: জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার; বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী হলেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা চীফ হুইপের দায়িত্ব।
৪. ঐতিহাসিক ‘ছয়-দফা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন-
(ক) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
(খ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
(গ) ২৬ মার্চ ১৯৬৬
(ঘ) ৩১ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর:খ
ব্যাখ্যা: পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে চৌধুরী মোহাম্মদ আলীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ পেশ করেন। ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেন- “গত দুই যুগ ধরে পূর্ব বাংলাকে যেভাবে শোষণ করা হয়েছে তার প্রতিকারকল্পে এবং পূর্ব বাংলার ভৌগোলিক দুরত্বের কথা বিবেচনা করে আমি ৬ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করছি।” ছয় দফাকে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয়। এটিকে ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের দলিল ‘ম্যাগনাকার্টা’ চুক্তির সাথে তুলনা করা হয়। ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে প্রচার করা হয়- ‘আমাদের বাচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা। ২৩ মার্চ ১৯৬৬৬ সালে লাহোরে এক সংবাদ পরবর্তীতে সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষণা করেন।
জেনে রাখা ভালো: ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে ছয় দফা কর্মসচী রচিত হয়। জয় দফা কর্মসূচীর প্রথম দফা- সায়ত্ত্বশাসন। বাকি পাঁচটি হলো: ২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। ৩. মুদ্রা বা অর্থ সমন্ধীয় ক্ষমতা সংক্রান্ত: ৪. রাজস্ব, কর বা শুদ্ধ সমন্ধীয় বিষয়: ৫. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং ৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী সংক্রান্ত। ছয় দফা আন্দোলনে প্রথম শহীদ হন মনু মিয়া। প্রতিবছর ছয় দফা দিবস পালিত হয়- ৭ জুন তারিখে।
৫. ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক-
(ক) শেখ মুজিবুর রহমান
(খ) শামছুল হক
(গ) আতাউর রহমান খান
(ঘ) আবুল হাশিম
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ঢাকার মোগলটুলীর ১৫০ নম্বর বাড়িতে সার্বক্ষণিক বসতেন টাঙ্গাঈলের যুবনেতা শামসুল হক, গোপালগঞ্জের শেখ মজিব ঢাকার তাজউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। ফলে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন তাঁরা পুরান ঢাকার টিকাটুলিস্থ কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে এক সম্মেলন আহ্বান করেন যেখানে ৩০০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পূর্ব পাকিস্তান ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ নামে একটি বিরোধী দল গঠন করা হয়। নবগঠিত সভাপতি নির্বাচিত হন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী দলটির ৪০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে এবং সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন শামসুল হক।
কিছু তথ্য জেনে নেই: শেখ মুজিবুর রহমান জেলে থাকায় তাঁর অবর্তমানে নবগঠিত কমিটিতে তাঁকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ১৯৪৯ সালের ২৪ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম অনুষ্ঠান ঢাকার আরমানিটোলা ময়দানে অনষ্ঠিত হয়। ১৯৫৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে দলটির নতুন নামকরণ করা হয় আওয়ামীলীগ। ১৯৫৩ সালে বঙ্গবন্ধু দলটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূল উদ্যোক্তা ছিল দলটি। ১৯৭০ এর নির্বাচনে জয় লাভ করে আওয়ামীলীগ। ১৯৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব দেন- বঙ্গবন্ধু।
৬. ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ কথাটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে? (ক) অনুচ্ছেদ: ২
(খ) অনুচ্ছেদ: ৩
(গ) অনুচ্ছেদ: ৪
(ঘ) অনুচ্ছেদ: ৫
উত্তর:খ
ব্যাখ্যা: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগের ৩নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ২নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় সীমানা, ৪নং অনুচ্ছেদে পর্যায়ক্রম ৪(১) এ জাতীয় সঙ্গীত, ৪(২) এ জাতীয় পতাকা, ৪(৩) এ জাতীয় প্রতীক এবং ৪ (ক)-তে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে এবং ৫নং অনুচ্ছেদে রাজধানী সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে।
৭. ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে আছে?
(ক) চতুর্থ তফসিল
(খ) পঞ্চম তফসিল
(গ) ষষ্ঠ তফসিল
(ঘ) সপ্তম তফসিল
উত্তর: খ
বিশদ ব্যাখ্যা: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের মোট ৭টি তফসিল রয়েছে। পঞ্চম তফসিলে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ, ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ। এই তফসিলে সংবিধানের ১৫০(২) নং অনুচ্ছেদের বর্ণনা প্রদান করা হয়েছে।
৮. বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী “কোর্ট অব রেকর্ড” হিসেবে গণ্য-
(ক) লেবার কোর্ট
(খ) জজ কোর্ট
(গ) হাই কোর্ট
(ঘ) সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর:ঘ
বিশদ ব্যাখ্যা: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, ‘সুপ্রীম কোর্ট একটি “কোর্ট অব রেকর্ড” হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।’
৯. বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
(ক) ৬ (ছয়) টি
(খ) ৭ (সাত) টি
(গ) ৮ (আট) টি
(ঘ) ৯ (নয়) টি
উত্তর:গ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর থেকে মোট ৮টি উন্নয়নের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত তথ্য: উন্নয়নের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার জনক সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট যোসেফ স্ট্যালিন। পাকিস্তান আমলে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নেওয়া হয় ১৯৫৫-১৯৬০ সাল মেয়াদে। বাংলাদেশে উন্নয়নের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নেওয়া হয় বঙ্গবন্ধুর আমলে।
১০. বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে ‘সুন্দরবন’ সংযুক্ত আছে?
(ক) ৪ (চার) টি
(খ) ৫ (পাঁচ) টি
(গ) ৬ (ছয়) টি
(ঘ) ৭ (সাত) টি
উত্তর:খ
ব্যাখ্যা: সুন্দরবন বাংলাদেশের মোট ৫ টি জেলায় অবস্থিত। যথা: খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও বরগুনা।
টেকনিক: ‘বাঘ সাতারে খুব পটু’।
বাঘ= বাগেরহাট,
সাতারে= সাতক্ষীরা,
খু= খুলনা,
ব= বরগুনা এবং
পটু = পটুয়াখালী।
বিস্তারিত : সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীত্রয়ের অববাহিকার বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত। বনটি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও বরগুন জেলার কিছু অংশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই জেলা উত্তর চব্বিশ পরগনা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে বিস্তৃত। সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার। সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের পরিমাণ ৬০১৭ বর্গকিলোমিটার অর্থাৎ ৬০.১৭%। বনটি ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের ফুসফুস হিসেবে পরিচিত। তবে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় আমাজন বনকে।
১১. মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন্ সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
(ক) ২ (দুই) নম্বর
(খ) ৩ (তিন) নম্বর
গ) ৪ (চার) নম্বর
(ঘ) ৫ (পাঁচ) নম্বর
উত্তর:ক
ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ: মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা ২নং সেক্টরের অধীনে ছিল। একনজরে বাংলাদেশে মহান মুক্তিযুদ্ধে ১১ টি সেক্টর নিম্নরূপ:
১ নং সেক্টর- চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদী পর্যন্ত।
২ নং সেক্টর- নোয়াখালী এবং কুমিল্লা, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশ বিশেষ।
৩ নং সেক্টর- হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, এবং কুমিল্লা জেলার অংশ বিশেষ।
৪ নং সেক্টর- সিলেট জেলার অংশ বিশেষ।
৫ নং সেক্টর- সিলেট জেলার অংশ বিশেষ এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল।
৬ নং সেক্টর- রংপুর ও দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা।
৭ নং সেক্টর- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া জেলা। ৮ নং সেক্টর- কুষ্টিয়া (মুজিবনগর), যশোর, ফরিদপুর জেলা এবং খুলনার অংশ বিশেষ। ৯ নং সেক্টর- খুলনা, বরিশাল অঞ্চল ও পটুয়াখালী।
১০ নং সেক্টর- এ সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ কমান্ডোরা, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল।
১১ নং সেক্টর- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা।
১২. ‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায় কত তারিখে অনুমোদন করা হয়? (ক) ২ মার্চ, ২০২২
(খ) ৩ মার্চ, ২০২২
(গ) ৪ মার্চ, ২০২২
(ঘ) ৫ মার্চ, ২০২২
উত্তর:ক
ব্যাখ্যা: ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে- ২ মার্চ, ২০২২। এর আগে ২০২০ সালের ১০ মার্চ হাইকোর্ট এক রায়ে ‘জয় বাংলা’কে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়ে রায় প্রদান করেছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে দলমত নির্বিশেষে এই জয় বাংলা স্লোগান প্রধান স্লোগান হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। সব সাংবিধানিক পদধারী ব্যক্তি, রাষ্ট্রের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী রাষ্ট্রীয় বা সরকারি অনুষ্ঠানের শেষে জয় বাংলা বলবেন। এছাড়া স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসাসহ সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কোন ধরণের সভা-সেমিনার শেষে জয় বাংলা বলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
১৩. বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কবে গঠিত হয়?
(ক) ৬ এপ্রিল ১৯৭২
(খ) ৭ এপ্রিল ১৯৭২
(গ) ৮ এপ্রিল ১৯৭২
(ঘ) ৯ এপ্রিল ১৯৭২
উত্তর:গ
ব্যাখ্যা: ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়। তাই প্রতিবছর ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
আরো কিছু তথ্য: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission) একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা যার কাজ সরকারি চাকরিতে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা। এটি একটি সাংবিধানিক ও স্বাধীন সংস্থা। পাকিস্তান আমলের সরকারি কর্ম কমিশনের উত্তরাধিকার হিসাবেই বাংলাদেশে গঠিত হয়েছিল সরকারী কর্ম কমিশন। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ পর্যন্ত অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বর্ণিত আছে। একজন চেয়ারম্যান এবং কয়েকজন সদস্য সমবায়ে পাঁচ বৎসর মেয়াদের জন্য কমিশন গঠিত হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন। বর্তমানে মো. সোহরাব হোসাইন এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত আছেন।

BCS সহ যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জাতিসংঘ জানতে হবে।

১৪. ‘e-TIN’ চালু করা হয় কত সালে?
(ক) ২০১৩ সালে
(খ) ২০১৪ সালে
(গ) ২০১৫ সালে
(ঘ) ২০১৬ সালে
উত্তর:ক
ব্যাখ্যা: ২০১৩ সালে অনলাইনে ই-টিআইএন পদ্ধিত চালু করে এনবিআর। এ ব্যবস্থায় যে কেউ ইচ্ছা করলে ঘরে বসে টিআইএন নিতে পারেন। এনবিআরের ওয়েবসাইটে ঢুকে ক্লিক করে ১২ ডিজিটের ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর (ই-টিআইএন) সংগ্রহ করা যায়। এছাড়াও ৩৩৩ নম্বরে কল করেও এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়।
১৫. কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?
(ক) ২০১১ সালে
(খ) ২০১২ সালে
(গ) ২০১৩ সালে
(ঘ) ২০১৪ সালে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: মানি লন্ডারিং বা অর্থশোধন হল একটি অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রম। এটি প্রতিরোধে ২০১২ সালে প্রবর্তন করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২।
১৬. দেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত?
(ক) চট্টগ্রাম
(খ) ফেনী
(গ) নরসিংদী
(ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর:ঘ
ব্যাখ্যা: বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভিস্তা সোলার লিমিটেড (সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা)। তবে দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয় নরসিংদী জেলায়।
আরো কিছু তথ্য:
-পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে পরিণত হয়- ২১ মার্চ, ২০২২ সালে।
-বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা- ২৬,৭০০ মেগাওয়াট (মে, ২০২৩)।
-রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত উপাদান- পারমাণবিক শক্তি। সহায়তাকারী দেশ- রাশিয়া এবং ভারত। চুল্লির ধরন চাপযুক্ত জল চুল্লি (চুল্লি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান- রোসাটম, রাশিয়া। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয়- ১ লক্ষ ১৩ হাজার কোটি টাকা।
-রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট) এর উদ্বোধন করা হয়- ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ সালে।
-দেশের বৃহত্তম কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র- পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। এটি পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নির্মিত হচ্ছে। এটির উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
-বেসরকারি পর্যায়ে দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট অবস্থিত- বাঁশখালী, চট্টগ্রামে।

BCS/Bank/Any Job অশুদ্ধ শব্দের বানান সংশোধন আসবেই ।এমন সব বানান নিয়ে আজকের আয়োজন।

১৭. বাংলাদেশে বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? (ক) রাজশাহী
(খ) কুমিল্লা
(গ) চট্টগ্রাম
(ঘ) গাজীপুর
উত্তর:গ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ বন গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত।
জেনে রাখা ভালো: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের বনসম্পদ, যা প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত, তার রক্ষণা- বেক্ষণ ও পরিচর্যা এবং নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টি, এ সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে থাকে। এটি সংক্ষেপে বিএফআরআই (BFRI = Bangladesh Forest Research Institute) নামে পরিচিত। ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের এক আদেশ বলে পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণা ইনস্টিটিউট নামে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম হয় যা ১৯৭১ সালের পরবর্তী সময়ে নির্বাহী আদেশে বন অধিদপ্তরের অধীনে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে নামকরণ করা হয়।
১৮. বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?
(ক) চাঁদপুর
(খ) ফরিদপুর
(গ) ময়মনসিংহ
(ঘ) ভোলা
উত্তর:গ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার ময়মনসিংহে অবস্থিত। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএফআরআই) একটি স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৯৮৪ সালে দেশে মৎস্য গবেষণা পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং পরিচালনা করার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠা করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং অবকাঠামো নির্মাণের পরিপ্রক্ষিতে ১৯৮৬ সাল থেকে কর্মকাণ্ড আরম্ভ করে এই প্রতিষ্ঠানটি। ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্ন বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।
১৯. বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
(ক) কয়লা
(খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
(গ) চুনাপাথর
(ঘ) চীনামাটি
উত্তর-খ

BCS প্রিলি মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের সম্পর্ক (Relation Between Values Education and Good Governance)

ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস। ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে দেশের প্রথম গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয়। গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হল মিথেন। বাংলাদেশে প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের নাম- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট।
আরো কিছু তথ্য: মৌলভীবাজার জেলার মাগুড়ছড়া বা কমলগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রে প্রথম অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে অগ্নিকান্ডের সময় দ্বায়িতে ছিল অক্সিডেন্টাল কোম্পানি (যুক্তরাষ্ট্র)। দেশের সবচেয়ে বড় ‘তিতাস গ্যাসক্ষেত্র’ এর অবস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। ১৯৮৯ সালে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় পেট্রোবাংলাকে। পেট্রোবাংলা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান। এর অধীনে মোট ১১ টি কোম্পানি রয়েছে। বাংলাদেশের আরো কিছু খনিজ সম্পদ নিম্নরূপ:
বাংলাদেশে ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম খনিজ তেল ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। ১৯৮৭ সালে হরিপুর থেকে দেশে প্রথম বানিজ্যিক ভিজিতে তেল উৎপাদন শুরু হয়। ১৯৯৪ সালে তেল উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারী লিঃ। এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের প্রথম কয়লা খনি পাওয়া যায় জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে। ১৮৮৫ সালে আবিষ্কৃত হয় বড়পুকুড়িয়া কালা খনি। খনিটির আয়তন ৩.২ বর্গ কি.মি.। এখানে বাংলাদেশে প্রথম কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
কাঁচ বালির সর্বাধিক মজুদ আছে সিলেট অঞ্চলে। বঙ্গোপসাগর সমুদ্র এলাকার প্রথম গ্যাসক্ষেত্র- সাঙ্গু।
২০. ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
(ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
(খ) চুনাপাথর
(গ) মিথেন গ্যাস
(ঘ) ইলমেনাইট
উত্তর:ক
ব্যাখ্যা: ইউরিয়া সার উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল প্রাকৃতিক গ্যাস। বাংলাদেশে প্রায় ৭টি সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রদান উপাদান হলো ‘মিথেন’। এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, আইসোবিউটেন, পেন্টেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি উপাদানও উপস্থিত থাকে। যেহেতু মিয়েন ছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসের অন্যান্য উপাদানও ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই কাঁচামাল হিসেবে ‘প্রাকৃতির গ্যাস’-ই অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর। অপশনে প্রাকৃতিক গ্যাস না থাকলে মিথেন উত্তর করতে হবে।
আরো কিছু তথ্য: ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তারে সহায়তা করে থাকে। গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কাণ্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
২১. কোনটি বিচার বিভাগের কাজ নয়?
(ক) আইনের প্রয়োগ
(খ) আইনের ব্যাখ্যা
(গ) সংবিধানের ব্যাখ্যা
(ঘ) সংবিধান প্রণয়ন
উত্তর:খ
ব্যাখ্যা: নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, অপরাধীর শাস্তিবিধান এবং দুর্বলকে সবলের হাত থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব বিচার বিভাগ। নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ আইনের অনুশাসন ও দেশের সংবিধানকে অক্ষুন্ন রাখে। সংবিধান/আইনের অভিভাবক বা ব্যাখ্যা প্রদানকারী হলো বিচারবিভাগ বা সুপ্রীম কোর্ট।
অপশন বিশ্লেষণ: সংবিধান রচনা বা প্রনয়ণের কাজ গণপরিষদের এবং সংশোধন বা পরিবর্তন হলো আইনসভা বা জাতীয় সংসদের কাজ। আইন অনুযায়ী বিচার করে বিচার বিভাগ এবং বিচার বিভাগের রায়কে কার্যকর বা প্রয়োগ করে শাসন বিভাগ। মূলত ক + ঘ উভয়ই উত্তর হবে।
আরো কিছু তথ্য: সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত। সংবিধানের ১১৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হবে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ আইনের অনুশাসন ও দেশের সংবিধানকে অক্ষুন্ন রাখে। বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি বিচারপতি এ এস এম সায়েম। বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী (২৩তম প্রধান বিচারপতি)।
২২. পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ কত সালে জারি হয়?
(ক) ১৯৮০ সালে
(খ) ১৯৮১ সালে
(গ) ১৯৮৫ সালে
(ঘ) ১৯৯১ সালে
উত্তর:গ
ব্যাখ্যা: পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ। ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে। এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য। এ আইন বলে দেশের সকল মুন্সেফ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হবে এবং মুন্সেফগণ এ আদালতের বিচারক হবেন। পারিবারিক আদালত মূলত পাঁচটি বিষয়ে বিচারকার্য নিষ্পন্ন করে থাকে।
২৩. ‘গণহত্যা যাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
(ক) ঢাকা
(খ) চট্টগ্রাম
(গ) কুমিল্লা
(ঘ) খুলনা
উত্তর:ঘ
ব‍্যাখ্যা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের উৎসাহে ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনায় গণহত্যা জাদুঘর যাত্রা শুরু করে। শুরুতে ময়লাপোতা এলাকার শেরেবাংলা রোডের একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৫ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নগরের ২৬ সাউথ সেন্ট্রাল রোডের দ্বিতল একটি বাড়ি উপহার দেন। সংস্কারের পর ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ সেই বাড়িতে স্থানান্তর হয় জাদুঘরটি।
আরো কিছু তথ্য: ১৯৭১ সালের গণহত্যা-নির্যাতনের নিদর্শন সংরক্ষণ, বধ্যভূমি ও গণকবর-সংক্রান্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, গণকবর ও বধ্যভূমি চিহ্নিত করা এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা। এটি দেশের একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর। এটি খুলনায় স্থাপনের অন্যতম কারণ চুকনগর বধ্যভূমি এখানে অবস্থিত। চুকনগরে ১৯৭১ সালের সবচেয়ে বড় ও নৃশংস গণহত্যাটি ২৪. চালিয়েছিল পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসরেরা।
২৪. নভেরা আহমেদের পরিচয় কী হিসাবে? (ক) কবি
(খ) নাট্যকার
(গ) কণ্ঠশিল্পী
(ঘ) ভাস্কর
উত্তর: ঘ
ব্যাখ্যা: নভেরা আহমেদ (মার্চ ২৯. ১৯৩৯- মে ৬, ২০১৫) একজন বাংলাদেশী ভাস্কর। তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত। বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধনিক ভাস্কর। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একশে পদক প্রদান করে। তিনি মৃত্যুর পর্ব পর্যন্ত প্রায় ৪৫ বছর প্যারিসে বসবাস করেন। একজন ভাস্কর্য শিল্পী হিসেবে নভেরা আহমেদের মূল প্রবণতা ছিল ফিগারেটিভ এক্সপ্রেশন। তাঁর কাজের প্রধান বিষয়বস্ত্র হচ্ছে নারী প্রতিমর্তি। নভেরার ভাস্কর্যের মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে ‘চাইল্ড ফিলোসফার’, ‘মা ও শিশু’, ‘এক্সটার্মিনেটিং অ্যাঞ্জেল’, ‘পরিবার’ (১৯৫৮), ‘যুগল’ (১৯৬৯), ‘ইকারুস’ (১৯৬৯), জেব্রা ক্রসিং’ (১৯৬৮) ইত্যাদি।

বিগত বছরের বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর পার্ট ১

২৫. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?
(ক) রাঙামাটি
(খ) বরিশাল
(গ) চট্টগ্রাম
(ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর:ক
ব্যাখ্যা: আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা- রাঙামাটি। জেলাটির সাথে ভারত ও মিয়ানমারের যৌথ সীমান্ত রয়েছে। জেনে রাখা ভালো: আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা- শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)। ৬ষ্ঠ জনশুমারী ও গৃহগণনা অনুযায়ী জনসংখ্যায় বৃহত্তম বিভাগ- ঢাকা, বৃহত্তম জেলা- ঢাকা, জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম বিভাগ- বরিশাল, ক্ষুদ্রতম জেলা- বান্দরবান। জনসংখ্যার ঘনত্ব যে বিভাগে বেশি- ঢাকা, জেলা হিসেবে- ঢাকা। জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম- বরিশাল বিভাগে, জেলা হিসেবে- রাঙামাটি। স্বাক্ষরতার হার সর্বাধিক- ঢাকা বিভাগে, জেলা হিসেবে পিরোজপুর। স্বাক্ষরতার হার সর্বনিম্ন- ময়মনসিংহ বিভাগে, জেলা হিসেবে- জামালপুর জেলা। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাসে শীর্ষ বিভাগে- চট্টগ্রাম, সর্বনিম্ন যে বিভাগে- বরিশাল, জেলা হিসেবে শীর্ষে- রাঙামাটি এবং সর্বনিম্ন যে জেলায়- লালমনিরহাট।
২৬. কোন এলাকাকে ‘Marine Protected Area’ (MPA) ঘোষণা করা হয়েছে?
(ক) সেন্টমার্টিন
(খ) সেন্টমার্টিন এবং আশেপাশের এলাকা (গ) পটুয়াখালী ও বরগুনা
(ঘ) হিরন পয়েন্ট
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ধারা ১৩ (১) ও ১৩ (২)-এর ক্ষমতাবলে পরিবেশ, বন ও জলবা পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলাধীন বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন দ্বীপের ১ হাজার ৭৪৩ ২০ কিলোমিটার এলাকাকে ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি ‘সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ হিসেবে ঘোষণা করে।
২৭. বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য কয়টি?
(ক) ৯ (নয়) টি
(খ) ১০ (দশ) টি
(গ) ১১ (এগার) টি
(ঘ) ১২ (বার) টি
উত্তর: সঠিক উত্তর ১৭টি
ব্যাখ্যা: কোনো একটা দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া ও মানুষের সৃজনশীলতা মিলে কোনো পণ্য তৈরি হলে তাকে বলা হয় সেই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন বা জিআই) পণ্য। শুধু বাংলাদেশেই উৎপাদিত হয় এমন ১৭ পণ্য আন্তর্জাতিক মেধাস্বত কর্তৃপক্ষ থেকে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
২৮. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ‘মনিপুরী’ বাংলাদেশের কোন জেলায় বেশি বসবাস করে?
(ক) সিলেট
(খ) মৌলভীবাজার
(গ) হবিগঞ্জ
(ঘ) সুনামগঞ্জ
উত্তর:গ 
ব্যাখ্যা: বৃহত্তর সিলেটের চারটি জেলা সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার প্রায় এগারোটি উপজেলা সুদীর্ঘকাল যাবৎ মণিপুরীরা নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতিকে লালন করে দৈনন্দিন জীবনাচারে স্বীয় ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পালন করে আসছেন। তবে একক জেলা হিসেবে মৌলভীবাজার জেলায় মণিপুরীদের বসবাস। মণিপুরী নৃত্য ও সংস্কৃতি তাদের গর্ব। দেশের জাতীয় সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধশালী করে তুলেছে।
আরো কিছু তথ্য: বাংলাদেশে (পাকিস্তান আমলে) প্রথম ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা আদিবাসী বিষয়ে গ্রন্থ প্রকাশ করেন আবদ্য সাত্তার। ১৯৬৬ সালে প্রথম প্রকাশিত ‘আরণ্য জনপদে’ গ্রন্থে তিনি ১৯টি জাতিসত্তার বিস্তৃত বিবরণ লিপিবদ্ধ করেছেন। মণিপুরী জাতিসত্তা বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মণিপুরীরা দুই শাখায় বিভক্ত যথা বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈ। অন্যদিকে জনশুমারি। গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯। জনশুমারিতে দেশের ৫০০ জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯। সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল। জেলার নিরিখে দেখে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
২৯.  বাংলাদেশের ষষ্ঠ জাতীয় জনশুমারি ও গৃহ গণনা কোন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়?
(ক) ১০ জুন থেকে ১৬ জুন, ২০২২
(খ) ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
(গ) ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই, ২০২২
(ঘ) ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২২
উত্তর:গ
৩০. কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য গত ২০২০ সালে পরর্জিত পুরস্কারের নাম কী? (ক) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স
(খ) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড
(গ) বাংলাদেশ ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স
(ঘ) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড
উত্তর:ক

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য পিএসসি ও অন্যান্য পরীক্ষা-২০২১ আসা সকল প্রশ্ন 

ব্যাখ্যা: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে ২০২০ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স’ পদক চালু করে। দেশি-বিদেশি দই কূটনীতিককে ‘বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স’ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতিবছর একজন বাংলাদেশি কটনীতিক এবং বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা একজন বিদেশি কূটনীতিককে ধারাবাহিকভাবে ওই পদক দেয়া হবে।

SSC/HSC / ষষ্ঠ থেকে নবম/দশম  শ্রেণির  শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন সাজেশান্স ও নোট পেতে আমাদের Website Eduexplain / Facebook এ Like/Follow দিয়ে রাখো। আমরা আছি ইউটিউবেও। আমাদের YouTube চ্যানেলটি Subscribe করতে পারো এই লিংক থেকে

সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীরা, Eduexplain বহুনির্বাচনি নিয়ে  Live MCQ আয়োজন করতে যাচ্ছে। আপনাদের পরীক্ষা প্রস্তুতিকে আরো জোরদার করবে  MCQ  টেস্ট  । এখন থেকে নিয়মিত Live MCQ আয়োজন করা হবে।ইনশাআল্লাহ।

READ ALSO

নির্ভুল ও সকল শিট Word file / pdf  পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ডাউনলোড করতে অসুবিধা হলে  ইনবক্স করুন WhatsApp নাম্বারে ০১৭৭৩৫৮৬১৭৬ । ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অন্যান্য বিষয়ের নোট ও সাজেশান্স পেতে আমাদের Website www.eduexplain.com  ও You Tube Channel Subscribe  করতে পারো এই লিংক থেকে 

Related Posts

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

চতুর্থ শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

পঞ্চম শ্রেণি

অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও বৃত্তি পরীক্ষা প্রস্তুতি

ষষ্ঠ শ্রেণি

অধ্যায়ভিত্তিক সৃজনশীল, জ্ঞানমূলক, অনুধাবনমূলক ও বহুনির্বাচনি

সপ্তম শ্রেণি

অধ্যায়ভিত্তিক সৃজনশীল, জ্ঞানমূলক, অনুধাবনমূলক ও বহুনির্বাচনি

অষ্টম শ্রেণি

অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও জেএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি

নবম-দশম শ্রেণি

অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান, মডেল টেস্ট ও এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান, মডেল টেস্ট ও এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি

ব্যাখ্যাসহ সমাধানবাংলাদেশ বিষয়াবলি ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (১৯ মে, ২০২৩)

ব্যাখ্যাসহ সমাধানবাংলাদেশ বিষয়াবলি ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (১৯ মে, ২০২৩)

ব্যাখ্যাসহ সমাধানবাংলাদেশ বিষয়াবলি ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (১৯ মে, ২০২৩) বাংলাদেশ বিষয়াবলি ১. ‘ভারত ছাড়’

Read More »

এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য অধ্যায়ভিত্তিক বাংলা প্রথম পত্র, শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব MCQ (পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের আলোকে)

এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য অধ্যায়ভিত্তিক বাংলা প্রথম পত্র, শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব MCQ (পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের আলোকে)

Read More »

এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য অধ্যায়ভিত্তিক বাংলা প্রথম পত্র, প্রবাস বন্ধু MCQ (পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের আলোকে)

এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য অধ্যায়ভিত্তিক বাংলা প্রথম পত্র, প্রবাস বন্ধু MCQ (পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের আলোকে) বিষয়:

Read More »

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.